নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে। প্রথম ধাপে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহবিষয়ক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ. কাদের, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিক উদ্দীন, তথ্য সংগ্রহকারী সুপারভাইজার ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, মোহনগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কাজে মূল দায়িত্ব পালন করবেন ৬২ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ছয়জন সুপারভাইজার। এ ছাড়া রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে ছয়জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজার। সব মিলিয়ে মূল দায়িত্বে ৬৮ জন এবং রিজার্ভ হিসেবে সাতজনকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রথম ধাপে ১ নম্বর বড়কাশিয়া-বিরামপুর, ২ নম্বর বড়তলী-বানিয়াহারী ও ৩ নম্বর তেতুলিয়া ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শুরুর কথা রয়েছে। এ জন্য ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কাজের সুবিধার্থে ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য তথ্য সংগ্রহকারীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, পরিবারের আয়-ব্যয়সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবারের সংখ্যা নির্ধারণসহ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিরা পরবর্তী সময়ে ভাতা পাবেন।
তিনি আরও বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। ফলে অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। এ সময় তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দেন।
মতামত